Saturday April 2026

হটলাইন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ১২:২৩ PM

জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন আইন, ২০১০

কন্টেন্ট: পাতা

বাংলাদেশে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নিবন্ধন মূলত 'জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০১০' (সংশোধিত ২০১৩) এবং পরবর্তী সংশোধনী অনুযায়ী পরিচালিত হয়। ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী বাংলাদেশি নাগরিকরা ভোটার তালিকাভুক্তির মাধ্যমে এই কার্ড পাওয়ার যোগ্য। এটি নাগরিকের পরিচয়, ভোট প্রদান এবং বিভিন্ন সেবার ক্ষেত্রে অপরিহার্য। যদিও ২০২৩ সালে নতুন আইন পাস হয়, তবুও বর্তমানে আইনটির প্রয়োগ প্রক্রিয়া ও দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের অধীনেই পরিচালিত হচ্ছে [১, ৪, ৫, ৬, ৮]।
জাতীয় পরিচয় পত্র নিবন্ধন আইনের মূল দিকগুলো:
  • নিবন্ধন যোগ্যতা: বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিক, যাদের বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি, তারা ভোটার তালিকার মাধ্যমে এনআইডি পাওয়ার অধিকার রাখেন [১২, ১৩]।
  • আইনগত কাঠামো: 'জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০১০' (সংশোধিত ২০১৩) অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন (EC) নাগরিকদের NID প্রদান করে থাকে [১, ৩]।
  • ভোটের সাথে সংযুক্তি: নাগরিককে ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করার মাধ্যমেই সাধারণত NID প্রদান করা হয় [১২]।
  • সংশোধনী ও নতুন আইন (২০২৩): ২০২৩ সালের নতুন আইন অনুযায়ী NID ব্যবস্থাপনা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেওয়ার প্রচেষ্টা চললেও, এটি মূলত নির্বাচন কমিশনের অধীনেই থেকে যাচ্ছে [৪, ৯]।
  • আইনি বাধ্যবাধকতা: ১৮ বছর বয়সীদের জন্য ভোটার আইডিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া একটি আবশ্যক কর্তব্য [১২]।
  • অপরাধ ও শাস্তি: মিথ্যা তথ্য বা একাধিক NID ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ, যার জন্য জেল ও জরিমানা হতে পারে [৯]।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন ও এর সংশোধনী সংক্রান্ত কাজগুলো নির্বাচন কমিশনের অধীনেই বিদ্যমান।
ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন