Saturday April 2026

হটলাইন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬ এ ০৪:৫৯ PM

নতুন ভোটার

কন্টেন্ট: পাতা

বাংলাদেশে নতুন ভোটার হওয়ার জন্য বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করে আবেদন করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে বায়োমেট্রিক (আঙুলের ছাপ, ছবি, স্বাক্ষর ও আইরিশ) প্রদান করতে হয়। ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীরাই কেবল এই আবেদন করতে পারেন।


নতুন ভোটার আবেদনের ধাপসমূহ:

  • অনলাইন আবেদন: services.nidw.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সাবমিট করতে হবে এবং প্রিন্ট করতে হবে। প্রিন্টকৃত আবেদন ফরমের ২য় পৃষ্ঠায় যাচাইকারী হিসেবে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও শনাক্তকারী হিসেবে নিজ ওয়ার্ড মেম্বারের নাম, এনআইডি নম্বর ও স্বাক্ষর সংগ্রহ করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করে আবেদন ফরম নিজ এলাকার উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে জমা দিতে হবে। অতপর সংশ্লিষ্ট অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে নিজ উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে বায়োমেট্রিক (ছবি তোলা, দশ আঙ্গুলের ছাপ, স্বাক্ষর, চোখের আইরিশ) গ্রহণ করা হবে।

    প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তালিকা ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

  • বিশেষ তথ্য ফরম পূরণ: রোহিঙ্গা জনগণকে ভোটার হওয়া থেকে বিরত রাখার জন্য দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও তিন পার্বত্য জেলাকে বিশেষ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সেজন্য অনলাইন ফর্ম-২ এর সাথে বিশেষ তথ্য ফরম পূরণ করতে হবে। নতুন ভোটার নিবন্ধন বা জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) সংক্রান্ত কাজের জন্য আবেদনকারীর ফরম ২ (বিশেষ তথ্য ফরম) মূলত আবেদনকারীর সঠিক পরিচয় নিশ্চিত, বংশলতিকা যাচাই, নিকটাত্মীয়ের NID তথ্য যাচাই এবং স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে প্রয়োজন হয়। এটি ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং দ্বৈত ভোটার রোধ ও রোহিঙ্গাদের ভোটার হওয়া রোধ করতে ব্যবহৃত হয়।

    বিশেষ তথ্য ফরম ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

আবেদনকারীর ফরম ২ (বিশেষ তথ্য ফরম) এর প্রয়োজনীয়তা:

  • পরিচয় যাচাই ও নির্ভরযোগ্যতা: আবেদনকারীর দেওয়া তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং তথ্যসমূহ নির্ভুলভাবে ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করতে।
  • বংশলতিকা ও নিকটাত্মীয়ের তথ্য: পিতা, মাতা, স্বামী বা স্ত্রী (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) এর নাম এবং তাদের NID নম্বর যাচাইয়ের মাধ্যমে আবেদনকারীর বংশীয় পরিচয় নিশ্চিত করা।
  • ঠিকানা ও ভোটার এলাকা নির্ধারণ: সঠিক বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা নিশ্চিত করে নির্দিষ্ট ভোটার এলাকায় তালিকাভুক্ত করা।
  • সতর্কতামূলক ব্যবস্থা (Overseas/Complex Case): বিশেষ করে প্রবাসীদের ক্ষেত্রে বা যখন সরাসরি তথ্য যাচাই কঠিন হয়, তখন এই বিশেষ ফরমের মাধ্যমে অতিরিক্ত তথ্য নেওয়া হয়।
  • দ্বৈত ভোটার রোধ: নতুন ভোটার হওয়ার সময় নিকটাত্মীয়দের NID বা তথ্যের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যে, আবেদনকারী পূর্বে অন্য কোথাও ভোটার হননি।
  • রোহিঙ্গাদের ভোটার হওয়া রোধ: নতুন ভোটার হওয়ার সময় নিকটাত্মীয়দের NID বা তথ্যের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যে, আবেদনকারী বংশগত ও জন্মগতভাবে বাংলাদেশের প্রকৃত নাগরিক। তিনি রোহিঙ্গা নন।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ফরমটি (বিশেষ করে ফরম-২ এর অতিরিক্ত অংশ) জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ বা নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত, যা নতুন ভোটার হওয়ার জন্য বাধ্যতামূলক।


এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন