কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ১২:৩৫ PM
জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন আইন
কন্টেন্ট: পাতা
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) সংশোধন মূলত 'জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০১০' এবং পরবর্তী সংশোধনী (সর্বশেষ ২০২৩) অনুযায়ী পরিচালিত হয়, যা নির্বাচন কমিশনকে ভুলের প্রমাণ সাপেক্ষে তথ্য সংশোধনের ক্ষমতা দেয় [২, ৪]। সংশোধনের জন্য প্রাসঙ্গিক দলিলাদি দাখিল করে অনলাইনে বা নির্বাচন অফিসে আবেদন করা যায় [৩]।
জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন আইন ও প্রক্রিয়া:
আইন: বর্তমানে প্রধান আইন হিসেবে 'জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০১০' কার্যকর রয়েছে, যার পরিবর্ধিত ও সময়োপযোগী রূপ 'জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০২৩' পাস হয়েছে [৪, ৮]।
সংশোধনযোগ্য তথ্য: নিজ নাম, পিতা/মাতার নাম, জন্ম তারিখ, ঠিকানা ইত্যাদি [২]।
বায়োমেট্রিক সংশোধন: বায়োমেট্রিক (ছবি, স্বাক্ষর ইত্যাদি) সংশোধনের জন্য নিজ নিজ উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস স্বশরীরে উপস্থিত হতে হবে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: সংশোধনের ধরনের উপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অনলাইনে সাবমিট করতে হয়।