Saturday April 2026

হটলাইন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ১২:৩৫ PM

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন আইন

কন্টেন্ট: পাতা

জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) সংশোধন মূলত 'জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০১০' এবং পরবর্তী সংশোধনী (সর্বশেষ ২০২৩) অনুযায়ী পরিচালিত হয়, যা নির্বাচন কমিশনকে ভুলের প্রমাণ সাপেক্ষে তথ্য সংশোধনের ক্ষমতা দেয় [২, ৪]। সংশোধনের জন্য প্রাসঙ্গিক দলিলাদি দাখিল করে অনলাইনে বা নির্বাচন অফিসে আবেদন করা যায় [৩]।
জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন আইন ও প্রক্রিয়া:
  • আইন: বর্তমানে প্রধান আইন হিসেবে 'জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০১০' কার্যকর রয়েছে, যার পরিবর্ধিত ও সময়োপযোগী রূপ 'জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০২৩' পাস হয়েছে [৪, ৮]।
  • সংশোধনযোগ্য তথ্য: নিজ নাম, পিতা/মাতার নাম, জন্ম তারিখ, ঠিকানা ইত্যাদি [২]।
  • বায়োমেট্রিক সংশোধন: বায়োমেট্রিক (ছবি, স্বাক্ষর ইত্যাদি) সংশোধনের জন্য নিজ নিজ উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস স্বশরীরে উপস্থিত হতে হবে।
  • প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: সংশোধনের ধরনের উপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অনলাইনে সাবমিট করতে হয়।
  • আবেদন প্রক্রিয়া: এনআইডি পোর্টালে services.nidw.gov.bd অ্যাকাউন্ট খুলে অনলাইনে আবেদন ও ফি জমা দেওয়া যায় [৩]।
  • সংশোধন ফি: তথ্যের ধরন এবং আবেদনের সময়সীমার ওপর ভিত্তি করে ফি নির্ধারিত হয় [২]। সংশোধনের ফি জানতে এখানে ক্লিক করুন
  • বিশেষ নির্দেশনা: আক্ষরিক বা ছোটখাটো ভুলের ক্ষেত্রে দ্রুত সংশোধনযোগ্য হলেও, আমূল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত হতে পারে [১২]।
সংশোধনের পর ভোটারগণ একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের পিডিএফ পেয়ে থাকেন।


সর্বশেষ জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন নীতিমালা জানতে নিচের ফাইলটি ডাউনলোড করুন
ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন