Saturday April 2026

হটলাইন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ১২:১৬ PM

ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯

কন্টেন্ট: পাতা

বাংলাদেশে ভোটার তালিকা প্রণয়ন, হালনাগাদকরণ ও সংশোধনের মূল আইন হলো "ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯" [৬, ৯]। এই আইনের অধীনে নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে প্রতি বছর খসড়া তালিকা প্রণয়ন, প্রকাশ, দাবি-আপত্তি নিষ্পত্তি এবং চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয় [৫, ৬]। ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক, যারা বিকৃত মস্তিষ্কের নন, তারা ভোটার হওয়ার যোগ্য [১০]।
ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯-এর প্রধান দিকগুলো নিচে দেওয়া হলো:
  • সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রয়োগ: এটি ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ নামে পরিচিত, যা ২০০৯ সালের মার্চ মাসে কার্যকর হয় [৯]।
  • ভোটার হওয়ার যোগ্যতা: আইনের ধারা ৬ ও বিধিমালা অনুযায়ী, একজন নাগরিকের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হলে এবং নির্দিষ্ট নির্বাচনী এলাকার বাসিন্দা হলে তিনি ভোটার হতে পারবেন [১০]।
  • নিবন্ধন অফিসার ও দায়িত্ব: নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা প্রস্তুত, হালনাগাদ ও সংশোধনের জন্য একজন নিবন্ধন অফিসার এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক সহকারী নিবন্ধন অফিসার নিয়োগ করে [৬]।
  • তালিকা প্রস্তুত ও প্রকাশ: প্রতি বছর নির্বাচন কমিশন ভোটার এলাকা বা নির্বাচনী এলাকার জন্য খসড়া ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও প্রকাশ করে [৫]।
  • দাবি-আপত্তি ও সংশোধন: খসড়া তালিকা প্রকাশের পর নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য দাবি বা ভুল তথ্যের জন্য আপত্তি জানানোর সুযোগ থাকে [৫]।
  • হালনাগাদ: ভোটার তালিকা আইন অনুযায়ী প্রতি বছর ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়, যাতে মৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং নতুন ভোটারদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা যায় [৬]।
  • ভুল নাম সংশোধন: ভোটার তালিকায় কারো নাম ভুল থাকলে বা ঠিকানা পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে তা সংশোধনের জন্য নির্দিষ্ট ফর্মে আবেদনের বিধান রয়েছে।
ভোটার তালিকা আইন ২০০৯-এর সাথে ভোটার তালিকা বিধিমালা, ২০১২-এর মাধ্যমে ভোটগ্রহণ ও তালিকা সংক্রান্ত অন্যান্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা হয় [১০]।
ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন